নীলফামারীতে বিএনপি’র অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান

নীলফামারী সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নে সাবেক ওয়ার্ড সভাপতিসহ বিএনপি ত্যাগ করে প্রায় অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে টুপামারী ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনি পথসভায় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।

এসময় নীলফামারী-২ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ তাদের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন।

টুপামারী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক বিএনপি সভাপতি শহিদুল ইসলাম যোগদানের বিষয়ে বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষ বিএনপির কাছ থেকে যে প্রত্যাশা করেছিল, তা পূরণ হয়নি। বিশেষ করে গণভোটের পক্ষে অবস্থান না নেওয়া এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা না রাখায় আমি ও আমার কর্মী-সমর্থকেরা হতাশ হয়েছি। এসব কারণেই আমরা জামায়াতের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নতুন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

যোগদানকারীদের মধ‌্যে উল্লেখযোগ্য নেতা-কর্মীরা হলেন- টুপামারী ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি আবদুল কাইয়ুম এবং একনিষ্ঠ কর্মী সোহেল, দুলাল, আব্দুস সালাম, জিয়ারুল, রবিউল, খাদেমুল, সাগর, গোলাপ, আলামীন, রায়হান, মশিউর, শরিফুল, সাজু, খোকন, সুয়েল, নয়ন, আব্দুল মালেক, সিরাজুল, শুভু, সাজেদুল, শাহাজাহান, মামুন, রাব্বি, সজন, বিপ্লব, জিহাদ, রাকিব, খায়ের, সুজন, রফিক, জুনায়েদসহ কিছামত দোগাছি প্রমুখ।

পথসভায় প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ বলেন, ৫ আগস্টের পর দেশের মানুষ একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু বাস্তবতায় সেই প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না। সারাদেশে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের প্রয়োজন।

তিনি শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং আসন্ন নির্বাচনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের বিজয়ের লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

0Shares