মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে চাঁদা না পেয়ে যুবদল নেতার নেতৃত্বে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ভাংচুর ও ঘরের আসবাবপত্র লুটপাট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে দাবি করেছে। অভিযুক্তরা হলেন- রানীগঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক

অনলাইন জরিপ

5
আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত?

অর্থনীতি

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে গায়েব ৪৩ কোটি টাকা

নীলফামারীর সৈয়দপুরের শহিদ তুলসীরাম সড়কে অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংক শাখার ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব হয়ে গেছে। গত দুই বছর ধরে অভিনব কায়দায় টাকাগুলো আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ব্যাংকটির ওই শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলিমুল আল রাজি তমালের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন বলে জানা যায়। ব্যাংকটির আভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা চলাকালে জালজালিয়াতি, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি উদ্ঘাটিত হয়। তদন্ত পরিচালনা করেন ব্যাংকটির সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মেহেদী রহমান। তিনি নিরীক্ষা দলের প্রধান। তদন্ত প্রতিবেদন গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রংপুরে অগ্রণী ব্যাংক মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয়ে পেশ করা হয়। প্রতিবেদন থেকে জানা

সারাদেশ

মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে চাঁদা না পেয়ে যুবদল নেতার নেতৃত্বে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ভাংচুর ও ঘরের আসবাবপত্র লুটপাট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে দাবি করেছে। অভিযুক্তরা হলেন- রানীগঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সিহাব মিয়া ও মজনু মিয়ার লোকজন। ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত আব্দুল্লাহ খান দেশ স্বাধীনের পর থেকে ইসলামপুর গ্রামের সরকারি জায়গায় পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে সরকারের পক্ষ

ব্যবসা বাণিজ্য

মুসলিম বিশ্বকে বিশেষ বার্তা দিলেন মুফতি তাকি উসমানি

শিয়া-সুন্নি বিরোধ উসকে না দিয়ে আগ্রাসী শক্তির মোকাবিলায় মুসলিমদের এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্বখ্যাত ইসলামী স্কলার ও পাকিস্তানের বরেণ্য আলেম মুফতি তাকি উসমানি। তিনি বলেছেন, এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- মুসলমানদের এক থাকা। যদিও ইরানের অধিকাংশ মানুষ শিয়া মতের অনুসারী এবং আমাদের সঙ্গে তাদের আকিদাগত মতভেদ আছে, কিন্তু কোন সময়ে কোন কথা বলা উচিত সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে। এখন কি সেই সময় যে শিয়া-সুন্নি বিরোধকে উসকে দেওয়া হবে? আমেরিকা কি এজন্য ইরানে হামলা করেছে যে তারা আমাদের আকিদার বিরুদ্ধে ছিল? না, বরং তিনি (খামেনি) একজন