
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর নজরুল ইসলামের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক ম্লাদেন কোবাসেভিচ এক সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় মহানগর জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষক সুসানে গিয়েন্ডলের এবং সহকারী নির্বাচন পর্যবেক্ষক মাসুক হায়দার। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও নগর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ ও ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, নগর সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. একেএম ফজলুল হক, নগর কর্মপরিষদ সদস্য হামেদ হাসান ইলাহীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
মতবিনিময় সভায় মহানগর আমীর নজরুল ইসলাম বলেন, জামায়াতে ইসলামী গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের মতামত প্রতিফলনের পক্ষে। শুরু থেকেই জামায়াতে ইসলামী জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আলাদাভাবে আয়োজনের দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় জামায়াতে ইসলামী দেশের বৃহত্তর স্বার্থে মেনে নিয়ে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে গণসংযোগ ও প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি জনগণকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামের প্রতীক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকারীরা এখনো গ্রেফতার না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। গতকাল (১৯ জানুয়ারি) জঙ্গল ছলিমপুর ইউনিয়নে র্যাব কর্মকর্তা নিহত হওয়ার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আদলে পরিকল্পিত সন্ত্রাস সৃষ্টি করে এ হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
নজরুল ইসলাম অবিলম্বে শহীদ হাদির হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। একইসাথে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার এবং সামগ্রিক জননিরাপত্তা নিশ্চিত করে প্রকৃত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির আহ্বান জানান।
নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি ভোট গণনা কক্ষসহ নির্বাচনী কার্যক্রমের শতভাগ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এনে তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
মতবিনিময় সভায় উভয় পক্ষই শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।




