
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সেশনের জন্য কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ ও সেক্রেটারিয়েট গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এসএম ফরহাদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের প্রথম সাধারণ অধিবেশনে এই কমিটি গঠন করা হয়। সংগঠনের ১২৩তম শহিদ রেজবুল হক প্লাবনের বাবা আজাদুল ইসলাম অধিবেশনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং উদ্বোধনী বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম।
কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহর সঞ্চালনায় আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতিরা উপস্থিত ছিলেন।
কমিটিতে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম আন্তর্জাতিক সম্পাদক এবং জিএস এসএম ফরহাদ প্রচার সম্পাদক পদ পেয়েছেন।
এছাড়াও কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক পদে আজিজুর রহমান আজাদ, মিডিয়া সম্পাদক মু’তাসিম বিল্লাহ শাহেদী, সাহিত্য সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, শিল্প ও সংস্কৃতি সম্পাদক হাফেজ আবু মুসা, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক নোমান হোসেন নয়ন, ফাউন্ডেশন সম্পাদক আব্দুল মোহাইমেন, এইচআরডি সম্পাদক শরীফ মাহমুদ, অর্থ সম্পাদক আনিসুর রহমান, কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী, প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, শিক্ষা সম্পাদক মুহাম্মদ ইব্রাহীম, গবেষণা সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক মেহরাব হাসান, সমাজসেবা সম্পাদক মোন্তাকুর রহমান জাহিদ, তথ্য ও মানবাধিকার সম্পাদক তানজির হোছাইন জুয়েল, স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক হেলাল উদ্দিন রুবেল, মাদরাসা কার্যক্রম সম্পাদক মো. ইসমাইল, ব্যবসায় শিক্ষা সম্পাদক নূরুল হুদা, ছাত্র অধিকার সম্পাদক মহিবুর রহমান মুহিব, পাঠাগার সম্পাদক- আরাফাত হোসেন মিলন, আইন সম্পাদক শামীম উদ্দীন, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল, বিজ্ঞান সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, দাওয়াহ সম্পাদক শাহীন আহমদ, বিতর্ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান আরমান, স্পোর্টস সম্পাদক মুশফিকুর রহমান এবং পাবলিক রিলেশনস সম্পাদক নুমায়ের আব্দুল্লাহ দায়িত্ব পেয়েছেন।
কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম বলেন, কার্যকরী পরিষদ সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও কার্যক্রম বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ সাংগঠনিক কাঠামো। এই পরিষদের সদস্য হিসেবে প্রত্যেককে সর্বপ্রথম নিজেদের আত্মতত্ত্বাবধান নিশ্চিত করতে হবে এবং কেন্দ্রীয় সভাপতিকে সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়ার মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল রাখতে হবে।




