পাবনায় জামায়াতের নারীকর্মীদেরকে মারধরের অভিযোগ

পাবনার সুজানগরে দুইজন নারীকর্মীসহ জামায়াতের ১০জন নেতা-কর্মীকে নির্বাচনি প্রচারে বাধা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহতদের পাঁচজনকে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ছাড়াও, পৌর এলাকার চর সুজানগর এবং আহমদপুরের সৈয়দপুরেও জামায়াতের কর্মীদেরকে নির্বাচনি প্রচারে বাধা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের রায়পুরে এবং আহমদপুরের সৈয়দপুরে এসব ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- উপজেলা জামায়াতের ওলামা বিভাগের সভাপতি হাফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি হাফেজ আমিনুল ইসলাম শিমুল, ওলামা বিভাগের পৌর সভাপতি মাওলানা ইনামুল হক, নারীকর্মী মার্জিয়া খাতুন ও ফিরোজা বেগম।

আহত ও স্থানীয়রা জানান, জামায়াতের নেতা-কর্মীরা মাওলানা রফিকুল ইসলামের বাড়িতে নির্বাচনি প্রচার চালাতে যায়। এ সময় হুমায়ূন, সুমন, সেলিম, বন্দের মোল্লাসহ স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা জামায়াতের নারীকর্মীদের প্রথমে বাধা ও পরে মারধর করলে পাশে থাকা পুরুষকর্মীরা এগিয়ে যায়। এ সময় তাদেরকেও এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়। এতে ১০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়াও, আহমদপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুরে ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের নির্বাচনি প্রচারেও বাধা দেওয়া হয়।

এসব ঘটনার প্রতিবাদ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামীর নারীকর্মীরা। মিছিলটি ভবানিপুর পশ্চিম পাড়া থেকে শুরু হয়ে সুজানগর বাজার প্রদক্ষিণ করে আবার ভবানিপুর পশ্চিম পাড়ায় এসে শেষ হয়।

এ বিষয়ে পাবনা-২ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান বলেন, আজকে সুজানগরের ৩টি ঘটনা জানতে পেরেছি। ইতিমধ্যে স্বপ্রণোদিতভাবেই আমরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাবনা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিব বলেন, এগুলো কী হচ্ছে আমি নিজেই বুঝতে পারছি না। ইউএনও (সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা) অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা দরকার সেই ব্যবস্থা নিবে।

0Shares