
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলে জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং জনপ্রত্যাশা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সাধারণ জনগণের মতামতের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইশতেহার প্রণয়ন করেছে। এতে মোট ২৬টি বিষয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে। ‘একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয়ে ‘চলো সবাই একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে ইশতেহারে ১০টি মৌলিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যার মধ্যে ৫টি ‘হ্যাঁ’ সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থান এবং ৫টি ‘না’ দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব ও চাঁদাবাজি।
বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দেওয়ানবাজারস্থ (বিআইএ) চট্টগ্রাম মহানগরীর জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত কর্মপরিষদ বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, ন্যায়ভিত্তিক বৈষম্যহীন সমাজ গঠন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং যুব সমাজের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতিও ইশতেহারে তুলে ধরা হয়।
তিনি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণে জামায়াত ঘোষিত ইশতেহারের পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি করুন। জুলাই সনদকে আইনি মর্যাদা দিতে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিন এবং নিজ নিজ আসনে ১১ দল সমর্থিত প্রার্থীদেরকে বিজয়ী করুন।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, মোহাম্মদ উল্লাহ, ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মুহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোছাইন, ফখরে জাহান সিরাজী, অধ্যক্ষ মাওলানা জাকের হোসাইন, মুহাম্মদ নুর, ড. মাহবুবুর রহমান, মাহমুদুল আলম, প্রফেসর মুহাম্মদ নুরুন্নবী, ফারুকে আজম, মুহাম্মদ ইসমাঈল,ড. আ ম ম মাসরুর হোসাইন প্রমুখ।




