বান্দরবান পার্বত্য জেলার সাত উপজেলা, দুই পৌরসভা ও ৩৪ ইউনিয়নের মধ্যে ১৮৭টি ভোটকেন্দ্রের ১৫৮টি ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে চারটি উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ১১টি দুর্গম এলাকার ভোটকেন্দ্রকে হেলিসর্টি (যে ভোটকেন্দ্রের তথ্য পেতে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট বা সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসের তালিকা দেখতে হবে) ভোটকেন্দ্র ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে ভোটের সরঞ্জাম আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহার করা হবে হেলিকপ্টার।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল আলম বলেন, জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার রোয়াংছড়ি সদরের রনিনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রুমা উপজেলার রেমাক্রী প্রাংশা ইউনিয়নের পাকনিয়ারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চিংলকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। থানচি উপজেলার রেমাক্রী ইউনিয়নের রদলিয়ানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রেমাক্রী বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড় মদক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছোট মদক বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। থানছি উপজেলার রেমাক্রী ইউনিয়নের রদলিয়ানপাড়া, রেমাক্রী বাজার, বড় মদক ও ছোট মদক বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং তিন্দু ইউনিয়নের তিন্দু গ্রুপিংপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চাইথোয়াইহ্লা কারবারিপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জিন্নাপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আলীকদম উপজেলার কুরুপপাতা ইউনিয়নের কমচঙ ইয়ুংছা মাওরুমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হেলিসর্টি ভোটকেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, জেলার দুর্গম এলাকার ১১টি ভোটকেন্দ্রকে হেলিসর্টি কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোটের সরঞ্জাম হেলিকপ্টারযোগে আনা-নেওয়া হবে।
জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু তালেব জানান, বান্দরবানে ১৮৭টি ভোটকেন্দ্রের ১৫৮টি ঝুঁকিপূর্ণ। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে।
প্রসঙ্গত, সাতটি উপজেলা, দুই পৌরসভা ও ৩৪ ইউনিয়ন নিয়ে বান্দরবান ৩০০ নম্বর আসনে বাঙালিসহ ১২টি সম্প্রদায়ের বসবাস। জেলায় পুরুষ ভোটার এক লাখ ৬১ হাজার ৭৭৫, নারী ভোটার এক লাখ ৫৩ হাজার ৬৬৭ জন। মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১৫ হাজার ৪৪২ জন।