একটি সময়ে সচ্ছল জীবন ছিল ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমের। কাপড়ের ব্যবসা থেকে যে আয় হতো তাতে নিজের সংসার স্বাচ্ছন্দে চলে যেত। পাশাপাশি আর্থিক সংকটে থাকা আত্মীয়-স্বজনদের প্রতিও বাড়িয়ে দিতেন সহযোগিতার হাত। কিন্তু সময়ের নির্মমতায় আজ সেই ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমই অন্যমানুষের সহযোগিতার মুখোমুখি।
মোহাম্মদ খোরশেদ আলম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের হাজী রহমত আলী পাড়ার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
খোরশেদ আলমের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২০১৯ সালে ব্রেইন স্টোক করেন খোরশেদ আলম। নিজের সঞ্চিত ও ব্যবসায়িক মুলধন ভেঙ্গে চিকিৎসা চালিয়ে মোটামুটি সুস্থ হয় খোরশেদ। ২০২৪ সালে হার্ট আটাকে মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক চুড়ান্ত দৈন্যতায় পড়ে খোরশেদ। পরিক্ষায় তার হার্টে অন্তত ৫টি ব্লক ধরা পড়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। খুব দ্রুতই তার অপারেশন করাতে হবে।
কিন্তু সব হারিয়ে নিঃস্ব খোরশেদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। ছেলেমেয়ের লেখাপড়া বন্ধের উপক্রম। বিয়ের বয়সী মেয়েটার দিকে থাকালে দীর্ঘশ্বাসটা আরও ভারি হয়ে উঠে। নিজের অপারেশন করানোর স্বপ্ন যেন তার কাছে বিলাসিতা।
এমতাবস্থায় দেশ ও বিদেশের হৃদয়বান, দানশীল, বিত্তবান মানুষের আর্থিক সহযোগিতায় সুস্থতার স্বপ্ন দেখছে খোরশেদ। পরোপকারি মানুষের হাত ধরে চলতে চায় আরও কিছু পথ। আসুন না, রহমতের মাস এই পবিত্র মাহে রমজানে আমরা সহযোগিতার হাত প্রসারিত করি তার প্রতি। মহান আল্লাহতালার করুণার আশায় চেষ্টা করি তার ৪ ছেলেমেয়েকে বাবার স্নেহ ফিরিয়ে দিতে। মানবিকতার পরশে মুছে দিই এক গৃহবধূর চোখে ঝমে থাকা কষ্টের নোনাজল।
খোরশেদ আলমের বিকাশ/নগদ (পারসোনাল) নাম্বার-01403 79 37 37